হাতিরঝিল বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার একটি এলাকা যা জনসাধারণের চলাচলের জন্য তৈরি করা হয়। ২০১৩ সালের ২ জানুয়ারি এ প্রকল্প এলাকাটি উদ্বোধন ও জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হয়। এ প্রকল্প চালুর ফলে ঢাকার তেজগাঁও, গুলশান, বাড্ডা, রামপুরা, মৌচাক, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার ও মগবাজার এলাকার বাসিন্দাসহ এ পথ দিয়ে চলাচলকারী যাত্রীরা বিশেষ সুবিধা পাচ্ছেন। হাতিরঝিল প্রকল্পটি বাস্তবায়ন ও তদারকি করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর 'স্পেশাল ওয়ার্কস অরগানাইজেশন'। এ প্রকল্পের অন্যতম মূল লক্ষ্য হচ্ছে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, জলাবদ্ধতা ও বন্যা প্রতিরোধ, ময়লা পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, রাজধানীর যানজট নিরসন এবং শ্রীবৃদ্ধি করা। ভিত্তি স্থপতি বৃন্দ লিমিটেড-এর স্থপতি ইকবাল হাবিব (টিম লিডার), এহসান খান ও ইশতিয়াক জহির এই প্রকল্পের স্থাপত্য পরিকল্পনার ছিলেন।। এটি মূলত নড়াই নদী-প্রবাহেরর অংশ।
ইতিহাস
ভাওয়াল রাজ্যের হাতিরঝিলসহ তেজগাঁও এলাকায় অনেক ভূসম্পত্তি ছিল। এস্টেটের হাতির পাল এখানকার ঝিলে স্নান করতে বা পানি খেতে বিচরণ করত বলে কালের পরিক্রমায় এর নাম হাতিরঝিল হয়।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- আমাদের দেশে জাদুঘর প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু হয় বরেন্দ্র অনুসন্ধান সমিতির মাধ্যে
- বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর- বরেন্দ্র জাদুঘর ।
- বরেন্দ্র জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়- ১০ ডিসেম্বর ১৯১০ সালে।
- বরেন্দ্র জাদুঘর অবস্থিত- রাজশাহীতে।
- গভর্নর লর্ড কারমাইকেলের পৃষ্ঠপোষকতায় ঢাকা জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- ঢাকা জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়- ১৯১৩ সালের ৭ আগস্ট।
- ঢাকা জাদুঘরের বর্তমান নাম- জাতীয় জাদুঘর।
- ঢাকা জাদুঘর জাতীয় জাদুঘরে রূপান্তর হয়- ১৭ নভেম্বর ১৯৮৩ সালে।
- জাতীয় জাদুঘর অবস্থিত- ঢাকার শাহবাগে।
- বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের প্রথম মহাপরিচালক- এনামুল হক।
- বিজ্ঞান জাদুঘর অবস্থিত- ঢাকার আগারগাঁওয়ে।
- বাংলাদেশের একমাত্র ডাক জাদুঘরটি অবস্থিত - ঢাকায়
- বঙ্গবন্ধু জাদুঘর অবস্থিত- ঢাকার ধানমন্ডি ৩২-এ।
- নগর জাদুঘর অবস্থিত - ঢাকার নগর ভবনের অভ্যন্তরে।
- ভ্রাম্যমান জাদুঘর - মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর অধীনে ।
- বাংলাদেশের লোক শিল্প জাদুঘর- সোনারগাঁয়ে।
- সোনারগাঁও জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়- ১৯৮১ সালে।
- ঢাকা সেনানীবাসে অবস্থিত- সামরিক জাদুঘর ও হাউজ, চট্টগ্রাম।
- জিয়া স্মৃতি যাদুঘর অবস্থিত- সার্কিট হাউজ, চট্টগ্রাম।
- বর্ডার গার্ডস বাংলাদেশ জাদুঘর- পিলখানা, ঢাকা।
- লালন শাহ জাদুঘর অবস্থিত- কুষ্টিয়ার সেঁউতিতে।
- দেশের প্রথম শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা অবস্থিত- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে।
- ভূগর্ভস্থ জাদুঘর অবস্থিত- সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে।
- জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘরে কতটি জাতির সম্পর্কে নিদর্শন রয়েছে- ২৭টি জাতি।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব জাদুঘর অবস্থিত - ঢাকা সেনানিবাসে।
- দেশের একমাত্র প্রাণী যাদুঘর কোথায় অবস্থিত- ঢাকার মিরপুর চিড়িয়াখানায়।
- ওসমানী জাদুঘরের অপর নাম - নূরমঞ্জিল যাদুঘর।
- 'শেরে বাংলা জাদুঘর' অবস্থিত- বরিশালের চাখারে ।
- 'গান্ধী স্মৃতি জাদুঘর' চালু হয়- নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ ।
- 'জয়নুল আর্ট গ্যালারী অবস্থিত- ময়মনসিংহে ।
- লোক ঐতিহ্য সংগ্রহশালা জাদুঘর - বাংলা একাডেমি।
- 'লোক সাহিত্য সংগ্রহশালা' প্রতিষ্ঠিত হয়- ১৯৭৮ সালে।
- ময়নামতি যাদুঘর অবস্থিত- কুমিল্লায়।
- বাংলাদেশ পুলিশ জাদুঘর অবস্থিত- পুলিশ হেড কোয়ার্টার, ঢাকায় ।
- বাংলাদেশের জাতিতাত্ত্বিক বা নৃ-তাত্ত্বিক জাদুঘর অবস্থিত- চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর, বাংলাদেশের প্রাচীন ঐতিহ্য রক্ষার্থে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গঠিত একটি জাদুঘর, যা ঢাকার অদূরে সোনারগাঁতে অবস্থিত।
অবস্থান
সোনারগাঁয়ে অবস্থিত লোকজ জাদুঘর
এর অবস্থান ঢাকা থেকে ২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার অভ্যন্তরে।
ইতিহাস
আবহমান গ্রাম বাংলার লোক সাংস্কৃতিক ধারাকে বিকশিত করার উদ্যোগে ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দে ১২ মার্চ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সোনারগাঁয়ের ঐতিহাসিক পানাম নগরীর একটি পুরনো বাড়িতে প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন। পরে ১৯৮১ খ্রিষ্টাব্দে ১৫০ বিঘা আয়তনের কমপ্লেক্সে খোলা আকাশের নিচে বাংলার প্রকৃতি ও পরিবেশে গ্রামীণ রূপকেন্দ্রিক বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের শৈল্পিক কর্মকাণ্ডের পরিচয় তুলে ধরতে শিল্পী জয়নুল আবেদিন এই জাদুঘর উন্মুক্ত পরিবেশে গড়ে তোলার প্রয়াস নেন এবং বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন কমপ্লেক্সটি প্রায় ১০০ বছর পুরাতন সর্দার বাড়িতে স্থানান্তরিত হয়।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
আলোচিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্কয়ার
- বাংলাদেশ স্কয়ার- লাইবেরিয়া
- তাস্কিম স্কয়ার- ইস্তাম্বুল, তুরস্ক
- ইউনিভার্সিটি স্কয়ার- সানা, ইয়েমেন
- তিয়েনমেন স্কয়ার- বেইজিং, চীন
- গ্রীন স্কয়ার- ত্রিপলী, লিবিয়া
- রেড স্কয়ার- রাশিয়া
- ডেমোক্রেসি স্কয়ার কম্বোডিয়া
- তাহরির স্কয়ার- কায়রো, মিশর
- আজাদি স্কয়ার- তেহরান, ইরান
- পার্ল স্কয়ার- বাহরাইন
- স্বাধীনতা স্কয়ার- কিয়েভ ইউক্রেন
- ট্রাফাগাল- লন্ডন, ইংল্যান্ড
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি (Bangladesh Asiatic Society)
- ১৭৮৪ সালে স্যার উইলিয়াম জোন্স কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামে এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- পাকিস্তান এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫২ সালে ।
- স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে এর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি
- উদ্দেশ্য- উন্নততর গবেষণা, মানুষ ও প্রকৃতি সম্বন্ধে গভীর জ্ঞান ইত্যাদি অনুসন্ধান।
- ২০০৩ সালে বাংলাপিডিয়া নামে ১০ খণ্ডের একটি এনসাইক্লোপিডিয়া বের করে।
- বাংলাপিডিয়া এর প্রধান সম্পাদক- অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
বাংলা একাডেমি বাঙালি জাতিসত্তার প্রতীক। ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর (১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে অবস্থিত বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলা ভাষা ও সাহিত্য উন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটি সর্বাধিক খ্যাতি লাভ করেছে। এর স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ। ১৯৫৬ সালে ড. মুহাম্মদ এনামূল হক বাংলা একাডেমির প্রথম পরিচালকের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। স্বাধীনতা যুদ্ধের পর ১৯৭২ সালে বাংলা একাডেমির প্রধান নির্বাহী হিসেবে মহাপরিচালকের পদ সৃষ্টি করা হয় এবং অধ্যাপক মযহারুল ইসলাম প্রথম মহাপরিচালক নিযুক্ত হন। একাডেমির মূল মিলনায়তনের নাম আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ মিলনায়তন।

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রবর্তন করা হয় ১৯৬০ সালে। বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ক্ষেত্রে সামগ্রিক অবদানের জন্য লেখকদের সৃজনী প্রতিভার স্বীকৃতি স্বরূপ এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে বর্ধমান হাউস প্রাঙ্গনে আয়োজিত হয় ঐতিহ্যবাহী অমর একুশে গ্রন্থমেলা (একুশে বইমেলা)। ১৯৭২ সালে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে মেলা শুরু হয়, তবে বাংলা একাডেমি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবছর বইমেলার আয়োজন করার জন্য ১৯৭৮ সালে দায়িত্ব গ্রহণ করে। গ্রন্থমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রদান করা হয়। বর্ধমান হাউসের দ্বিতীয় তলায় রয়েছে নজরুল স্মৃতিকক্ষ। বর্ধমান হাউসের ঠিক সামনে বিশালাকার বটগাছের নিচে রয়েছে নজরুল মঞ্চ। বাংলা একাডেমি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সার্ধশত জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ২০১০ সাল থেকে রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তন করে।
বাংলা একাডেমি থেকে ছয়টি পত্রিকা প্রকাশিত হয়। এগুলো হচ্ছে-
পত্রিকার নাম | ধরন |
| উত্তরাধিকার | ১৯৭৩ সালে মাসিক পত্রিকা হিসেবে প্রথম প্রকাশিত হয়। ১৯৮৩ সালে পত্রিকাটি ত্রৈমাসিকে রূপান্তরিত হয়। জুলাই, ২০০৯ থেকে পুনরায় মাসিক পত্রিকায় রূপান্তরিত হয়। |
| বাংলা একাডেমি পত্রিকা | গবেষণামূলক ত্রৈমাসিক। |
| ধানশালিকের দেশ | ত্রৈমাসিক কিশোর পত্রিকা |
| বাংলা একাডেমি বিজ্ঞান পত্রিকা | ষাণ্মাসিক |
| বাংলা একাডেমি জার্নাল | ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত ষাণ্মাসিক পত্রিকা |
| বার্তা | অনিয়মিত ত্রৈমাসিক। |
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
১৯৪৫
১৯৫৫
১৯৫৬
১৯৫৭
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, যা ১৯৫৯ সালে প্রতিষ্ঠিত। কুমিল্লা শহর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার পশ্চিমে কোটবাড়ীতে অবস্থিত এ প্রতিষ্ঠানটি প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও প্রায়োগিক কার্যক্রমের মাধ্যমে পল্লী জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। এটি প্রথমে পাকিস্তান গ্রাম উন্নয়ন একাডেমি নামে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ছিলেন প্রখ্যাত পল্লী উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ ড. আখতার হামিদ খান। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর প্রতিষ্ঠানটির নাম পরিবর্তিত হয়ে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) হয়।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
বাংলাপিডিয়া হলো বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি কর্তৃক প্রকাশিত বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় জ্ঞানকোষ। এটি বাংলাদেশকেন্দ্রিক ইতিহাস, সমাজ, সংস্কৃতি, অর্থনীতি, ভূগোল, রাজনীতি ও ঐতিহ্যবিষয়ক নির্ভরযোগ্য তথ্য উপস্থাপনের উদ্দেশ্যে প্রণীত। ২০০৩ সালে প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয় এবং পরে ২০১২ সালে হালনাগাদ দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়। বাংলাপিডিয়া বাংলা ও ইংরেজি—উভয় ভাষায় মুদ্রিত, ইলেকট্রনিক ও সিডি-রম সংস্করণে উপলব্ধ। এর প্রধান সম্পাদক ছিলেন অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম এবং দেশ-বিদেশের প্রায় দেড় হাজার গবেষক ও লেখকের অবদানে হাজারো ভুক্তি সংযোজিত হয়েছে। বাংলাদেশ সম্পর্কে প্রামাণ্য জ্ঞানভান্ডার হিসেবে বাংলাপিডিয়া শিক্ষার্থী, গবেষক ও সাধারণ পাঠকের কাছে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী (সংক্ষেপে উদীচী) হচ্ছে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- ১৯৬৮ সালে বিপ্লবী কথাশিল্পী সত্যেন সেন উদীচী গঠন করেন।
- জন্মলগ্ন থেকে উদীচী অধিকার, স্বাধীনতা ও সাম্যের সমাজ নির্মাণে সংগ্রাম করে আসছে।
- ১৯৬৮, ১৯৬৯, ১৯৭০ এবং ১৯৭১ সালে বাঙালির সার্বিক মুক্তির চেতনাকে ধারণ করে গড়ে উঠা সাংস্কৃি সংগ্রাম।
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশের জাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র 'বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ঢাকার সেগুনবাগিচায় এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত ।
- সংস্কৃতি মন্ত্রলায়ের অধীনে এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে।
- ১৯৭৬ সালে শিশুদের সাংস্কৃতিক প্রচার, উন্নয়ন এবং পৃষ্ঠপোষকতার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয় 'বাংলাদেশ শিশু একাডেমি'।
- শিশু একাডেমি প্রাঙ্গনে দুরন্ত নামক ভাস্কর্য রয়েছে।
- এটি মহিলা এবং শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের উদ্যোগে ১৯৭৮ সালে এই সংগঠন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মূল লক্ষ্য- কিশোর এবং যুব সমাজকে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা।
- এই সংগঠনের মূল কৌশল গ্রন্থ পাঠের মাধ্যমে তরুণদের সঠিক পথে পরিচালিত করা।
- এর মূল কার্যালয় ঢাকার বাংলা মটর এলাকায় অবস্থিত। তবে দেশব্যাপী এর শাখা আছে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
- উদ্দেশ্য- সরকারি ও বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ দলিলপত্র সংগ্রহ ও তত্ত্বাবধানের জন্য।
- ১৯৭৩ সালে দেশে জাতীয় আর্কাইভ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- জাতীয় আর্কাইভের নিজস্ব ভবন ঢাকার আগারগাঁওতে ।
- বেঙ্গল ফাউন্ডেশন ২০০০ সালে ঢাকার ধানমণ্ডিতে প্রতিষ্ঠা করেন আবুল খায়ের।
- বেঙ্গল গ্যালারি অব ফাইন আর্টস বা বেঙ্গল শিল্পালয় কাজ করে পেশাদার শিল্পী নিয়ে ।
- গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন বাংলাদেশের পেশাদারি নাট্য সংগঠনগুলোর একটি ফোরাম।
- বাংলাদেশের নাটকের দল গুলোর মধ্যে- থিয়েটার, আরণ্যক, ঢাকা থিয়েটার, নাট্যকেন্দ্র প্রধান ।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
Read more